স্মার্টফোন কিনতে ঋণ পাবে বশেমুরবিপ্রবির ১৫০৮ শিক্ষার্থী

 

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা কার্যক্রমের সাখে যুক্ত রাখতে ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক গৃহীত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনলাইন ক্লাস পরিচালনার নির্দেশনা অনুসারে যেসকল শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন নেই তাদের জন্য সম্প্রতি শিক্ষা ঋণের ঘোষণা দেয়া হয়। সেই ঘোষনার বাস্তবায়নের লক্ষে স্মার্টফোন কিনতে ঋন পাচ্ছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ১৫০৮ জন শিক্ষার্থী।

ঋনের বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করে বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী উপদেষ্টা ড. মো. শরাফত আলী বলেন, ইউজিসিকে আমরা শিক্ষাঋণ প্রদানের জন্য মোট ১৫০৮ শিক্ষার্থীর তালিকা দিয়েছিলাম। এর প্রেক্ষিতে ইউজিসির পক্ষ থেকে সফটলোন প্রদানের জন্য একটি নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে এবং নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ প্রদানের জন্য আগামী রবিবার একটি কমিটি গঠন করা হবে। সফটলোনের বিষয়ে ইউজিসি থেকে প্রেরিত নীতিমালায় বলা হয়, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের যে তালিকা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদেরকে ঋণের বিষয়টি যথাযথভাবে অবিহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কমিশনে প্রেরিত তালিকায় শিক্ষার্থীর নাম আছে কি-না তা পুনরায় যাচাই করে দেখতে হবে ও কমিটির সুপারিশের আলোকে ৮ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে আগামী ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ এর মধ্যে দিতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের প্রদানকৃত এই ঋণ সম্পূর্ণ সুদমুক্ত এবং স্মার্টফোন ক্রয়ের ভাউচারটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ১০ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২১ এর মধ্যে সফটলোন অনুমােদন কমিটি’র সদস্য-সচিব এর নিকট জমা দিতে হবে।

এছাড়া, নীতিমালা সম্বলিত নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর কিংবা অধ্যয়নকালীন সময়ে ৪টি সমান কিস্তিতে বা এককালীন পরিশােধ করিতে হইবে এবং ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নামে কোন ট্রান্সক্রিস্ট ও সাময়িক/মূল সনদ ইস্যু করা হবে না।

প্রসঙ্গত, বশেমুরবিপ্রবি থেকে সর্বপ্রথম শিক্ষাঋণের জন্য প্রায় ৩১০০ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রদান করা হলেও ইউজিসি থেকে জানানো হয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ঋণ প্রদান করা হবে। এরই প্রেক্ষিতে ইউজিসি তে সর্বশেষ ১৫০৮ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রেরণ করা হয়।