Amar Praner Bangladesh

হালিশহরে নাহিদুল ইসলাম মজুমদার পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্রগ্রাম হালিশহর হাউজিং এস্টেট একটি ঐতিহাসিক এলাকা হিসাবে সমাদৃত। রাজনীতি, খেলাধুলা, এস ও এস শিশু পল্লী, আর্টিলারী সেন্টার, সমুদ্র সৈকত সব কিছুই বিদ্যমান। এখানে বসবাস করা সকলের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতাও চোখে পড়ার মতো। বর্তমান সরকার পর পর কয়েকবার ক্ষমতায় আসার পর হালিশহর সহ এর আশেপাশে এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন হয়। রাজনৈতিক মেরুকরনেও আসে বিশাল পরিবর্তন । বেশ কিছু সুবিধাবাদি মুখোশদারীদের আগমন ঘটে। সে রকম একটি অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তি নাহিদুল ইসলাম মজুমদার পরিবার। দলীয় হাওয়া গাঁয়ে মেখে রীতিমত আলাদিনের চেরাগ পেয়ে কোটি কোটি টাকা বানিয়ে রীতিমত আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে। এক সময়ের বিএনপি নেতা নাহিদুল ইসলাম কিছু দিন বিদেশে ছিল অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা সহ নানা প্রকার বৈধ-অবৈধ ব্যবসা শুরু করে হালিশহর বি ব্লক লেইন নং- ২ এ ৩ নং রোডের ২০ -২২ নং প্লটে বিশাল বাড়ি সহ বিভিন্ন ব্লকে আরও ৮-১০ টি বাড়ি করে। তার বড় ভাই নাজমুল মজুমদার বেশ কয়েকবার কাউন্সিলর নির্বাচন করে হেরে যায়। ভাই তৌহিদুল ইসলাম মজুমদার মানব পাচার ব্যবসার সাথে জড়িত।

আরেক ভাই আজিম বিদেশে থেকে ভিওআইপি ব্যবসার সহযোগীতা করে। বোন বুলু এলাকার সেন্টেলমেন্ট করে বেড়ায়। এলাকায় অবৈধ গ্যাস, বিদ্যুৎ-পানির লাইনগুলো এরাই কন্ট্রোল করে। নাহিদ কলোনী ২ নং রোডে অবৈধ গ্যাস লাইনে চলে।

এলাকায় নাম না জানাতে ইচ্ছুক এক ব্যক্তি দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানায় এই পরিবারটির হঠাৎ করে উত্থান হয়। বিভিন্ন প্রকার মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে মানব পাচার, অবৈধ লাইন সংযোগ, টাকা হুন্ডি করা, স্বর্ণ চোরা চালান সহ সব অপকর্মই করে আসছে তারা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উন্নয়নের সোপানে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তখনই এই সুবিধাবাদিরা দলীয় মুখোশ লাগিয়ে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রয়াসে মুখে মুখে আওয়ামীলীগ দেখিয়ে সব অপকর্ম আড়াল করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানকে সামনে রেখে দূর্নীতি দমন কমিশন যদি এরকম নতুন বড়লোকের অনুসন্ধান চালায় তাহলে বেরিয়ে আসবে অনেক থলের বিড়াল। এমনটাই দাবী এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের।