Amar Praner Bangladesh

১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী কাউন্সিলর মফিজের বিকল্প নাই

 

 

হাবিব সরকার স্বাধীনঃ

 

গুলশান বনানী কড়াইল আদর্শ নগর করোনা মহামারীতে যে সমস্ত নেতাকর্মীরা দিনরাত মাঠে পরিশ্রম করে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন সেই সমস্ত নেতাদের ইউনিট কমিটিতে নাম নেই বললেই চলে। বনানী এলাকায় ঘুরে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যায়। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান মফিজ চারবার কাউন্সিল ১৩ বৎসর যাবত সৎ দক্ষতার সাথে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষ এবং কর্মের ফল।

সেখানে যোগাযোগ মাধ্যমে সফলতার প্রশংসার বাণীও প্রকাশ করেছেন সংবাদ কর্মীরা। হাজী মফিজুর রহমান ব্যক্তি জীবন রাজনীতির মাঠে দলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পরিশ্রম করে গেছেন। অঙ্গর সংগঠনের সর্বস্তরের জনগণ পুনরায় ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ১৯ নং কাউন্সিলর মফিজুর রহমান কে চায় এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ৫ ইউনিট কমিটি দেওয়া হয়েছে লক্ষ্য করে দেখা গেছে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের তার পাশে যারা ছিল কাউকে দেয়া হয়নি। তার কারণ কি জনগণের মনে এমনই প্রশ্ন বাসা বেধেছে, কেউ কেউ এটাকে প্রতিহিংসার রাজনীতি বলছেন।

১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মফিজুর রহমান মহামারী করোনার সময় জনগণের পাশে ছিলো। সকলের খাদ্য ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন এমন নেতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি কুচক্রম হলে মরিয়া। করোনা মহামারীতে জনগণের পাশে যাদেরকে দেখা যায়নি তারা এখন বিশাল সুডাউনে ব্যস্ততা দেখাচ্ছেন।

বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কড়াইল বস্তির ৪,৫,টি ইউনিটের চুড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের আগেই তথাকথিত রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারীদের নাম প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউনিট কমিটির পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতৃবৃন্দরা। উক্ত স্ট্যাটাসের পর থেকে দীর্ঘ দিন ধরে দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহণকারী রাজনৈতিক ত্যাগ বিসর্জন কারী নেতা কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনের জমানো কষ্টের কথা প্রার্থী রাসেল তুলে ধরেন সিনিয়র লিডার কর্মকর্তাকে দুষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। ফেসবুক ক্যাপশনে লিখেছে।

আমি রেজাউল করিম (রাসেল) আমি,রাজনীতি শুরুতে আওয়ামিলীগ সহযোগী সংগঠন করার কাজে লিপ্ত ছিলাম। আমি, ১৯ নাম্বার ওয়ার্ড আওতাধীন কড়াইল ২ নং দক্ষিণ ইউনিট ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ছিলাম। আমি, সাবেক ১৯ নাম্বার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি ছিলাম।

আমি ১৯ নম্বর ওয়ার্ড আওতাধীন কড়াইল ২ নং দক্ষিণ ইউনিট,সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমি রানিং ৫ বছর যাবত ১৯ নং ওয়ার্ড মূল আওয়ামিলীগের সাথে রয়েছি, আমি, ২৫ বছর ধরে রাজনীতিতে লিপ্ত আছি।
আমি, রাজনীতিতে সব’সমায়ে প্রোগ্রাম মিটিং-মিছিলে থাকি।

আমি রাসেল ২১ শে আগস্ট ওই পল্টন ময়দান প্রোগ্রামে ছিমাম। আমি লাঠি বৈঠা মিছিল নিয়ে ওই পল্টন ময়দান প্রোগ্রাম ছিলাম, আমি অবরোধের সময় ১৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাখালী থেকে মধ্যবাড্ডা প্রশান্ত, এমপি রহমাতুল্লাহ স্যার বসার জন্যে স্টেজ করেছিলো তার সাথে ছিলাম। আমি আরো অনেক আওয়ামিলীগ প্রোগ্রাম লিপ্ত ছিলাম।

আমি বনানী ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সোবান মাওলানা সন্তান। আমার পিতা করোনা মহামারীতে যখন মানুষ ভয়ে ঘরে বসে ছিল তখন ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলারে নির্দেশে মাঠে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। শুধু আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে। এভাবেই আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে মাঠে রয়েছে আমার বাবার দুবার করে আক্রান্ত হয়েছে।
ছোটকাল থেকেই দেখছি আমার বাব মা আওয়ামীলীগ কে ভালবাসে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তোমার বাংলা গলার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িয়ে আছে। আমার বাবা মাওলানা আব্দুল সুবাহান।১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি।

আমার মা মহিলা শ্রমিক লীগ সাবেক ১৯ নাম্বার ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন। তাই বলি আমি আওয়ামীলীগের সন্তান, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিয়ে চলি। আমি দেশত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্ম দিক নির্দেশনা ফলো করি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যার চেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ১৯ নাম্বার ওয়ার্ড আওতাধীন কড়াইল ২ নং উত্তর বৌ বাজার ইউনিটে আওয়ামীলীগ কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নাম দেওয়া হইছে।আশা ছিলো রাতের পর দিন আসবেই একদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। সেই বিশ্বাসকে পুঁজি করে বেচে আছি। বিএনপির আমলে নির্যাতন জুলুম যেন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। শুধু আওয়ামী লীগকে ভালোবাসি এটাই ছিল আমাদের অপরাধ। একটি কুচক্র মহল ৫ পাঁচটি ইউনিটকে প্রশ্নবিদ্ধ করে আমাদের ত্যাগী আওয়ামী লীগ কর্মীদের কে হঠানোর চেষ্টা করছে।

যা দুঃখজনক, বেদনাদায়ক, গুপটি মেরে বসে থাকা জামাত শিবির বিএনপির কার্যক্রমের মত হায়নারা আমাদেরকে ছিটকে ফেলে দিতে চেষ্টা করছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সহ সিনিয়র নেতা কর্মীরা আপনারা বিষয়টি একটু নজর দিন। সঠিকভাবে সঠিক স্থানে ইউনিট নেতাকর্মীদেরকে তাদের মর্যাদা স্থান ফিরিয়ে দিন আপনাদের কাছে এই প্রত্যাশা আমাদের।