Amar Praner Bangladesh

৪৪ নং ওয়ার্ড চামুরখানে রাজউক বহির্ভুত ২ কাঠা জমিতে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী নির্মাণ

 

সাখাওয়াত হোসেন সাগর :

 

রাজধানীর উত্তরখান ৪৪ নং ওয়ার্ড চামুরখান প্রাইমারী স্কুলের পশ্চিম পাশে এস এন এক্সেসরিজ বিল্ডিংটি রাজউক বহির্ভুত। এই বিল্ডিংটি ২ কাঠা জমিতে অবৈধভাবে রাজউক প্লান বহির্ভূত করে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।

বাড়ীর দারোয়ানের মাধ্যমে বাড়ীওয়ালাকে ডাকা হলে তিনি সংবাদের প্রতিবেদকের সাথে দেখা করেন নাই এবং তাদের বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করতে দেন নাই। বাড়ীওয়ালার সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। বাড়ীর দারোয়ান বলে রাজউকের কর্মতকর্তারা বাড়ীওয়ালার পকেটে থাকে। উত্তরখান রাজউকের ইন্সপেক্টর নাজিমের সাথে কথা বলে বিষয়টি আমরা তাকে জানাই। নাজিম বলেন, আমি বিষয়টি অবশ্যই দেখবো। যদি বহির্ভূত হয় তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাছাড়া বাড়ী তৈরি করছেন বাড়ীর চারপাশে কোন প্রকার সেফটি নেই। যেকোন সময় এই বাড়ী তৈরিতে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।

তিনি রাজউকের নিয়ম তোয়াক্কা না করে ইমারত নির্মাণ করেছেন। ইদানিং দেখা যাচ্ছে, রাজউক বহির্ভুত বিল্ডিং নির্মাণের ধুম পড়েছে রাজধানীতে। ঢাকা শহরে রাজউক বহির্ভুত যে বড় বড় বিল্ডিং গুলো তৈরি হচ্ছে সেই ইমারত গুলো যেকোন সময় ভূমিকম্প সহ বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আনতে পারে মহা বিপদ। এসব বাড়ীর মালিকরা অধিক লাভবান হওয়ার আশায় রাজউক থেকে নিয়ম অনুযায়ী যে প্লান পাওয়ার কথা তার তোয়াক্কা না করে প্লান পরিবর্তন করে ইমারত নির্মাণ করে যাচ্ছে।

এসব বাড়ীর মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরী। রাজধানীর উত্তরখানে ৪৪ নং ওয়ার্ড চামুর খানে তৈরিকৃত বাড়ীওয়ালার রাজউকের অসাধু কর্মকর্তার সাথে আতাত করে নিয়মবহিঃর্ভূত ইমারত তৈরি করে বেআইনিভাবে লাভবান হওয়ার প্রচেষ্টায় সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এই অসৎ কাজকে বেগবান করছে।

রাজউকের জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা সবকিছু দেখেও রহস্যজনকভাবে কাঠের চশমা পড়ে আছে। রাজধানীর রাস্তা দখল করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে অসৎ কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে বিল্ডিংয়ের প্লান বহির্ভুত ২ কাঠা জমির উপর ৬ষ্ঠ তলা ইমারত নির্মাণ করছে। এলাকায় অনুসন্ধান করলে নাম না জানাতে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান, এভাবে নিয়মবহিঃর্ভূত ইমারত নির্মাণ হলে ভূমিকম্পে ভেঙ্গে পড়ার ঝুঁকি সহ বিভিন্নসমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আমরা আপনাদের মাধ্যমে রাজউকের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আগামী পর্বে থাকবে বিস্তারিত।